ক্ষীর

প্রতি কার্টনের মূল্য: ৳ ৭২০
কার্টন সাইজ: ১২ পিস
বিক্রয় একক: কার্টন

বাদাম আর কিসমিসের টপিং এর সাথে ঐতিহ্যবাহী ক্ষীরের স্বাদে মজাদার ক্ষীর কাপ আইসক্রীম উৎসবে-আপ্যায়নে, মন ভালো করবেই আপনার।

প্রতি একক মূল্য: ৬০ টাকা
নিট পরিমাণ: ১১০ মি.লি.
শক্তি: ২৪৩.৭৩ কিলোক্যালরি (প্রতি ১০০ গ্রামে)

Share:

উপাদান

পানি, চিনি, স্কিম্‌ড মিল্ক পাউডার, ভেজিটেবল ফ্যাট, ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডার, খেজুর গুড়, কিসমিস, রোস্টেড আলমন্ড বাদাম, গ্লুকোজ, স্ট্যাবিলাইজার (আইএনএস ৪১২, আইএনএস ৪০৭), ইমাল্‌সিফায়ার (আইএনএস ৪৬৬, আইএনএস ৪৭১, আইএনএস ৪৩৩), কৃত্রিম ফুড ফ্লেভার (পায়েস) এবং অনুমোদিত কৃত্রিম ফুড কালার (আইএনএস ১০২, আইএনএস ১১০, আইএনএস ১২৩, আইএনএস ১৩৩)।

পুষ্টিগত তথ্য (প্রতি ১০০ গ্রাম পণ্যে গড় পুষ্টিমান)

প্রধান পুষ্টি উপাদান পরিমাণ একক
মোট এনার্জি ২৪৩.৭৩ কিলোক্যালরি
মোট ফ্যাট ১৪.৫৮ গ্রাম
স্যাচুরেটেড ফ্যাট ৭.৪৪ গ্রাম
ট্রান্স ফ্যাট ০.১৮১ গ্রাম
প্রোটিন ৪.০৮ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট ২৩.৮৮ গ্রাম
চিনি ১৫.৮০ গ্রাম
ফাইবার ০.২৭ গ্রাম
লবণ ১.১৫ মিলিগ্রাম
মিনারেল্‌স ০.৯৪ গ্রাম

 

এলার্জি ও অসহিষ্ণু প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ

মিল্ক প্রোটিন, আলমন্ড বাদাম এবং ল্যাকটোজ।

শক্তি

স্বাদ

আইসক্রীম উৎপাদনে নিজেদের সেরাটা নিশ্চিত করতে পোলার সবসময় দায়বদ্ধ।

যেসব স্থান থেকে উপাদানসমূহ সংগৃহীত হয়:

আইসক্রীম তৈরির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান দুধ সংগৃহীত হয় ডেনমার্ক, ফ্রান্স, তুরস্ক, আয়ারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ইত্যাদি দেশ থেকে। চকোলেট আমদানি করা হয় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে। মিল্ক ফ্যাট আসে অস্ট্রেলিয়া থেকে। ইতালি, ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশ থেকে প্রতিটি ফ্লেভার আমদানি করা হয়। চিনি সংগৃহীত হয় বাংলাদেশ থেকে এবং ভেজিটেবল ফ্যাট আমদানি হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। তুরস্কের অ্যাল্যু-স্লিভ, চীনের উডেন স্টিক ও পেপার কাপ এবং সৌদি আরব থেকে আসা কাঁচমাল দিয়ে দেশেই তৈরি মোড়ক ও টাবে হয় সেরা মানের প্রস্তুতি।

পণ্যের সঠিক মান নিশ্চিতকরণের ধাপসমুহ:

পণ্যের সঠিক মান নিশ্চিত করতে উৎপাদনের সময় কারখানায় যে সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়:

  • কাজে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ব্যক্তির পরিচ্ছন্নতা এবং সুস্থতায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়। সেইসাথে মান নিয়ন্ত্রণ ও উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুদক্ষ করে তোলা হয়।
  • প্রতিটি উপাদানের মান সর্বোচ্চ থাকলে তবেই ব্যবহার করা হয়।
  • পণ্য সংরক্ষণে, কুইক-ফ্রিজিংসহ সবগুলো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পাদন করা হয়। আর এতে করে পণ্যে ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা থাকে সর্বনিম্ন।
  • পণ্য সংরক্ষণে সবচেয়ে সঠিক যন্ত্র ও উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়।
  • কারখানায় সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মানদণ্ডে সেরা পরিবেশটাই বজায় থাকে।
  • প্রতিটি পণ্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছে যায় সবচেয়ে কার্যকরী ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের মাধ্যমে। আর তাতে করে পণ্যের মানও থাকে সবচেয়ে ভালো।

আইসক্রীমের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মানদণ্ডসমূহ:

  • ভৌত-রাসায়নিক পরীক্ষা
  • অণুজীব বিষয়ক পরীক্ষা
  • স্বাদ-ঘ্রাণ-দর্শন ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে পরীক্ষা
  • পণ্যের গঠনবিন্যাস পরীক্ষা