দই

প্রতি পিসের মূল্য: ৳ ৪০০
কার্টন সাইজ: ১ পিস
বিক্রয় একক: পিস

দইয়ের স্বাদ ভালো লাগে না, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। তাই বাংলার ঐতিহ্যবাহী দইয়ের স্বাদ আইসক্রীমে নিয়ে এসেছে পোলার। যখন-তখন দইয়ের মজা পেতে নিন পোলার দই আইসক্রীম টাব।

প্রতি একক মূল্য: ৪০০ টাকা
নিট পরিমাণ: ১০০০ মি.লি.
শক্তি: ২৫৭.১৩ কিলোক্যালরি

Share:

উপাদান:

পানি, চিনি, ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার, ভেজিটেবল ফ্যাট, দই, দই পাউডার, গ্লুকোজ, ছানা পাউডার, ইমালসিফায়ার (আইএনএস ৪৭১, আইএনএস ৪৬৬, আইএনএস ৪৩৩), স্ট্যাবিলাইজার (আইএনএস ৪১২, আইএনএস ৪০৭), প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম মিশ্রিত ফুড ফ্লেভার (দই) এবং অনুমোদিত কৃত্রিম ফুড কালার (আইএনএস ১০২, আইএনএস ১১০, আইএনএস ১২৩, আইএনএস ১৩৩)।

পুষ্টিগত তথ্য (প্রতি ১০০ গ্রাম পণ্যে গড় পুষ্টিমান):

প্রধান পুষ্টি উপাদানপরিমাণএকক
মোট এনার্জি২৫৭.১৩কিলোক্যালরি
মোট ফ্যাট১৬.৩৩গ্রাম
স্যাচুরেটেড ফ্যাট৮.৮৯গ্রাম
ট্রান্স ফ্যাট০.১৮৫গ্রাম
প্রোটিন৪.৮২গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট২২.৬৪গ্রাম
সুগার১৫.৭৯গ্রাম
ফাইবার০.১৩গ্রাম
লবণ১.২২মিলিগ্রাম
মিনারেল্‌স১.৪৭গ্রাম

 

এলার্জি এবং অসহিষ্ণু প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী খাদ্য উপাদানসমূহ:

মিল্ক প্রোটিন এবং ল্যাকটোজ

শক্তি

স্বাদ

আইসক্রীম উৎপাদনে নিজেদের সেরাটা নিশ্চিত করতে পোলার সবসময় দায়বদ্ধ।

যেসব স্থান থেকে উপাদানসমূহ সংগৃহীত হয়:

আইসক্রীম তৈরির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান দুধ সংগৃহীত হয় ডেনমার্ক, ফ্রান্স, তুরস্ক, আয়ারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ইত্যাদি দেশ থেকে। চকোলেট আমদানি করা হয় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে। মিল্ক ফ্যাট আসে অস্ট্রেলিয়া থেকে। ইতালি, ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশ থেকে প্রতিটি ফ্লেভার আমদানি করা হয়। চিনি সংগৃহীত হয় বাংলাদেশ থেকে এবং ভেজিটেবল ফ্যাট আমদানি হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। তুরস্কের অ্যাল্যু-স্লিভ, চীনের উডেন স্টিক ও পেপার কাপ এবং সৌদি আরব থেকে আসা কাঁচমাল দিয়ে দেশেই তৈরি মোড়ক ও টাবে হয় সেরা মানের প্রস্তুতি।

পণ্যের সঠিক মান নিশ্চিতকরণের ধাপসমুহ:

পণ্যের সঠিক মান নিশ্চিত করতে উৎপাদনের সময় কারখানায় যে সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়:

  • কাজে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ব্যক্তির পরিচ্ছন্নতা এবং সুস্থতায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়। সেইসাথে মান নিয়ন্ত্রণ ও উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুদক্ষ করে তোলা হয়।
  • প্রতিটি উপাদানের মান সর্বোচ্চ থাকলে তবেই ব্যবহার করা হয়।
  • পণ্য সংরক্ষণে, কুইক-ফ্রিজিংসহ সবগুলো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পাদন করা হয়। আর এতে করে পণ্যে ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা থাকে সর্বনিম্ন।
  • পণ্য সংরক্ষণে সবচেয়ে সঠিক যন্ত্র ও উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়।
  • কারখানায় সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মানদণ্ডে সেরা পরিবেশটাই বজায় থাকে।
  • প্রতিটি পণ্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছে যায় সবচেয়ে কার্যকরী ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের মাধ্যমে। আর তাতে করে পণ্যের মানও থাকে সবচেয়ে ভালো।

আইসক্রীমের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মানদণ্ডসমূহ:

  • ভৌত-রাসায়নিক পরীক্ষা
  • অণুজীব বিষয়ক পরীক্ষা
  • স্বাদ-ঘ্রাণ-দর্শন ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে পরীক্ষা
  • পণ্যের গঠনবিন্যাস পরীক্ষা