কার্নিভাল হেজেলনাট

প্রতি কার্টনের মূল্য: ৳ ৮৪০
কার্টন সাইজ: ১২ পিস
বিক্রয় একক: কার্টন

নতুন প্রিমিয়াম হেজেলনাট রিপল আইসক্রীমের সাথে চকোলেট কোটেড সিরিয়াল বল আর চকোলেট চিপসের টপিং – এক কথায়, ফুল অন এক্সপেরিয়েন্স। আইসক্রীম লাভারদের জন্য একদম পারফেক্ট চয়েজ !

প্রতি একক মূল্য: ৭০ টাকা
নিট পরিমাণ: ১২০ মি.লি. 
শক্তি: ৩০০.৮০ কিলোক্যালরি (প্রতি ১০০ গ্রামে)

Category:
Share:

উপাদান

পানি, চিনি, ভেজিটেবল ফ্যাট, স্কিড মিল্ক পাউডার, ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডার, গ্লুকোজ, হোয়ে পাউডার (মিল্ক সলিড), কোকোয়া বাটার, ময়দা, ফ্যাট-রিডিউড কোকোয়া পাউডার, হেজেলনাট আইসক্রীম কোটিং, ইমালসিফায়ার (আইএনএস ৪৭১, আইএনএস ৪৬৬, আইএনএস ৪৩৩, আইএনএস ৩২২i), স্ট্যাবিলাইজার (আইএনএস ৪১২, দআইএনএস ৪০৭), কৃত্রিম ফুড ফ্লেভার (হেজেলনাট), মেইজ স্টার্চ, অনুমোদিত কৃত্রিম ফুড কালার (আইএনএস ১০২, আইএনএস ১১০, আইএনএস ১২৩, আইএনএস ১৩৩), সোডিয়াম ক্লোরাইড, রেইজিং এজেন্ট (আইএনএস (৫০০ii) |

পুষ্টিগত তথ্য (প্রতি ১০০ গ্রাম হিসাবে)

প্রধান পুষ্টি উপাদান পরিমাণ একক
মোট এনার্জি ৩৮০.৮০ কিলোক্যালরি
মোট ফ্যাট ১৫.১৫ গ্রাম
স্যাচুরেটেড ফ্যাট ৮.৩১ গ্রাম
ট্র্যান্স ফ্যাট ০.২০ গ্রাম
প্রোটিন ৪.৫৬ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট ৩৫.৪৯ গ্রাম
চিনি ১৫.৮০ গ্রাম
ফাইবার ০.৬০ গ্রাম
লবণ ৪১.৮১ মিলিগ্রাম
মিনারেল্‌স ০.৬৯ গ্রাম

 

এলার্জি ও অসহিষ্ণু প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ
মিল্ক প্রোটিন, ল্যাকটোজ, সয়া (লেসিথিন) এবং গ্লুটেন (ময়দা)

শক্তি

স্বাদ

আইসক্রীম উৎপাদনে নিজেদের সেরাটা নিশ্চিত করতে পোলার সবসময় দায়বদ্ধ।

যেসব স্থান থেকে উপাদানসমূহ সংগৃহীত হয়:

আইসক্রীম তৈরির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান দুধ সংগৃহীত হয় ডেনমার্ক, ফ্রান্স, তুরস্ক, আয়ারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ইত্যাদি দেশ থেকে। চকোলেট আমদানি করা হয় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে। মিল্ক ফ্যাট আসে অস্ট্রেলিয়া থেকে। ইতালি, ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশ থেকে প্রতিটি ফ্লেভার আমদানি করা হয়। চিনি সংগৃহীত হয় বাংলাদেশ থেকে এবং ভেজিটেবল ফ্যাট আমদানি হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। তুরস্কের অ্যাল্যু-স্লিভ, চীনের উডেন স্টিক ও পেপার কাপ এবং সৌদি আরব থেকে আসা কাঁচমাল দিয়ে দেশেই তৈরি মোড়ক ও টাবে হয় সেরা মানের প্রস্তুতি।

পণ্যের সঠিক মান নিশ্চিতকরণের ধাপসমুহ:

পণ্যের সঠিক মান নিশ্চিত করতে উৎপাদনের সময় কারখানায় যে সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়:

  • কাজে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ব্যক্তির পরিচ্ছন্নতা এবং সুস্থতায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়। সেইসাথে মান নিয়ন্ত্রণ ও উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুদক্ষ করে তোলা হয়।
  • প্রতিটি উপাদানের মান সর্বোচ্চ থাকলে তবেই ব্যবহার করা হয়।
  • পণ্য সংরক্ষণে, কুইক-ফ্রিজিংসহ সবগুলো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পাদন করা হয়। আর এতে করে পণ্যে ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা থাকে সর্বনিম্ন।
  • পণ্য সংরক্ষণে সবচেয়ে সঠিক যন্ত্র ও উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়।
  • কারখানায় সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মানদণ্ডে সেরা পরিবেশটাই বজায় থাকে।
  • প্রতিটি পণ্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছে যায় সবচেয়ে কার্যকরী ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের মাধ্যমে। আর তাতে করে পণ্যের মানও থাকে সবচেয়ে ভালো।

আইসক্রীমের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মানদণ্ডসমূহ:

  • ভৌত-রাসায়নিক পরীক্ষা
  • অণুজীব বিষয়ক পরীক্ষা
  • স্বাদ-ঘ্রাণ-দর্শন ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে পরীক্ষা
  • পণ্যের গঠনবিন্যাস পরীক্ষা